সংবর্ধনার জন্য ফর্ম পূরণ ও তথ্য যাচাইয়ের পর দেখা যায়, শেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মোট ২৫ জন শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৫ জন মেডিকেল কলেজে এবং ১০ জন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ অর্জন করেছেন। শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে কলেজজুড়ে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে
মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন— মো. সাদনান হাসান (রংপুর মেডিকেল কলেজ), তাবাসসুম শামস মুনিয়া (ঢাকা মেডিকেল কলেজ), টি. এম. তাসনিম তাপস্বী (শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ), আনিকা রায়হানা ইথিকা (টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ), আলফে শাহরিন (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ), সামিহা আতিকা চারু (ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ), মো. খোরশেদ জাহান (নেত্রকোণা মেডিকেল কলেজ), রিয়া সাহা (কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ), জান্নাতুল ফেরদৌস (দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ), ইশাত তানজিম ফারিয়া (টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ), মাহজাবিন রাবেয়া রোদেলা (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ), মো. আব্দুল হাকিম হৃদয় (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ), সিদরাতুল মুনতাহা (আর্মি মেডিকেল কলেজ, বগুড়া), শীতল হাজং (টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ) এবং মাশফিয়া বিনতে মতিন (সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ)।
অন্যদিকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন— হাসিন জাফির, মাশফিয়া বিনতে মতিন, বর্ষণ দত্ত ও জবা তাসনিয়া (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়—বুয়েট), হিমেল হাসনাত পিয়াস (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. আবু রায়হান, মো. সাইম হাসান ও মুহাম্মদ ফাহিম ফয়সাল আকন, মো. আরিফুল ইসলাম ও মো. সাব্বির হোসেন (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)।
শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সবার মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
শেরপুর সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামছুল হুদা চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের এ কৃতিত্ব গর্বের। নিয়মিত ক্লাস ও পরিকল্পিত প্রস্তুতি ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফল আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রস্তুতির সময়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আক্রাম হোছাইন বলেন, এই সাফল্য কলেজের জন্য অত্যন্ত গর্বের। শিক্ষার্থীদের এই অর্জন প্রমাণ করে সঠিক দিকনির্দেশনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং নিয়মিত অধ্যবসায় থাকলে বড় অর্জন সম্ভব। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং সকল শিক্ষার্থীর সফলতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ বলেন, যাচাই শেষে দেখা গেছে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মোট ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এ উপলক্ষে কলেজের পক্ষ থেকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
মন্তব্য করুন