দেবাশীষ সাহা রায়
শেরপুরের নকলায় মাদ্রাসা ছাত্র সজিব (১৪) হত্যা মামলার প্রধান আসামি খায়রুল ইসলাম রাহাতকে (২২) গ্রেফতার করেছে নকলা থানা পুলিশ। ২৫ মার্চ বুধবার রাতে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী গাবরাখালী বর্ডার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে রাহাতকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রাহাত নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বিবিরচর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
এদিকে গ্রেফতারের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে রাহাত। পরে রাতেই রাহাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের পাশের ধানখেত থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ।
এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, মামলা হওয়ার পরে থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে দেশব্যাপি সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে। বাকী আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ রাত ১০টার দিকে আড্ডা দেওয়ার কথা বলে সজিবকে নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় একই গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে খায়রুল ইসলাম রিফাতসহ আরও কয়েকজন। পরে সজিবকে শরীরের একাধিক জায়গায় ছুরিকাঘাত করে কলিজা বিচ্ছিন্নসহ পেট থেকে ভুঁড়ি বের করে ফেলা হয়।
পরে রাতেই সজিবকে নকলা উপজেলার বাইপাস এলাকা থেকে এলাকাবাসি উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ মার্চ বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মারা যায় সজিব। ওই ঘটনায় সজিবের বাবা ফারহান বাদী হয়ে ১১ মার্চ নকলা থানায় রাহাতসহ ৩ জনকে আসামী করে লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।






