শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘোড়ার মাংসের নমুনাসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভালুকা এলাকার ফুলহারি নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুলহারি এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারি করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এলাকার কয়েকজন ওই এলাকায় গিয়ে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় সেখানে আরও তিনটি জীবিত ঘোড়া বাঁধা অবস্থায় ছিল বলেও তারা জানান। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘোড়ার মাংসের নমুনাসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে।
ঝিনাইগাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ঘোড়ার মাংসের আলামত পাওয়া গেছে এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে আমরা পৌঁছানোর সময় কোনো জীবিত ঘোড়া পাইনি। এর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।”
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জবাই করা ঘোড়ার মাংস কোথায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।