স্থাপিত: ২০১৯ শনিবার, 15 আগস্ট 2026 শেরপুর, বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে শেরপুর জেলা প্রশাসন

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে শেরপুর জেলা প্রশাসন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ ibas++ এর মাধ্যমে প্রদান অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে শেরপুর জেলা প্রশাসন যুক্ত হয়েছিলেন।
শনিবার দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ (IBAS++) এর মাধ্যমে প্রদান অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শেরপুর প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার),  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এবং সম্মানিত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে দেশের উন্নয়নে শিক্ষকদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং তাঁদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি IBAS++ পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ স্বচ্ছ ও দ্রুততম সময়ে প্রদান নিশ্চিত করার প্রত্যয় জানান।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন সরাসরি  প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মানিত শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।  প্রধানমন্ত্রী শেরপুর জেলার কামারেরচরের বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত সম্মানিত শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁর অনুভূতি জানতে চান। এসময় মোখলেছুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের হাতে কল্যাণ সুবিধার অর্থের চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উপস্থিত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করেন।