শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের এমপি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী বলেছেন, খাল খনন/পুন:খনন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকায় কৃষিতে বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হবে। এ খাল একদিকে যেমন বর্ষাকালে বন্যার পানি থেকে কৃষকের ফসল রক্ষা করবে, অপরদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালের সঞ্চিত পানি কৃষকের ফসল উৎপাদনে সহায়ক হবে। খালের পানিতে মাছ চাষ করে আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি খালের দু’পাড়ে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপন করে খালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও গাছ বিক্রির টাকা দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি গতিশীল করা সম্ভব হবে। তিনি ১২ মে মঙ্গলবার সকালে শেরপুরের নকলায় ২ নম্বর নকলা ইউনিয়নে উত্তর নকলা (ডাকাতিয়াকান্দা) গ্রামের বালুরঘাট এলাকায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় গণপদ্দী ইউনিয়নের পেকুয়া বিলের মোহনা হতে বিহারীরপাড় উটব্রীজ পর্যন্ত (৩.৯৩ কি.মি.) খাল পুন:খনন কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
ফাহিম চৌধুরী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন/পুন:খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুন:খনন করা হবে। আজ আমি আপনাদেরকে সাথে নিয়ে আমার নির্বাচনী এলাকা নকলায় একটি খাল পুন:খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে পেরে আনন্দিত।
তিনি এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এ খাল, খালের পানি, খালের মাছ এবং খালের দু’পাশে রোপণ করা বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছ হবে আপনাদের সম্পদ। সুতরাং সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনাদেরকেই নিতে হবে এবং এখান থেকে প্রাপ্ত সুবিধা আপনারাই ভোগ করবেন।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়ামিনের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় ফাহিম চৌধুরীর সহধর্মিনী সেনুয়া চৌধুরী, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হেসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি, নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ, উপজেলা প্রকৌশলী সামছুল হক রাকিব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ খান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন শামীম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমান ও যুগ্ম আহবায়ক মোবাশ্বের হোসেন চৌধুরী টুটন, ইউপি চেয়ারম্যান্যান আবুবকর সিদ্দিক ফারুকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপকারভোগী এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।